বগুড়া ১০:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo সিরাজগঞ্জ ৫২ কেজি গাঁজাসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, ট্রাক জব্দ Logo কাহালুর দূর্গাপুর এনায়েতুল্ল্যাহ দাখিল মাদ্রাসার অভিভাবক সদস্য পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত Logo সিরাজগঞ্জে সিনিয়র সাংবাদিক আবদুল জলিল সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত Logo আদমদীঘিতে স্থানীয় সরকার ও জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস উদযাপন Logo বাজারের ব্যাগের মধ্যে রাখা ফেন্সিডিলসহ বগুড়া শেরপুরে মাদক ব্যবসায়ী আটক Logo বগুড়া সদরের শেখেরকোলায় জমির বিরোধে মারপিট থানায় অভিযোগ Logo বগুড়ার শেরপুরে দুই ইয়াবা ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার Logo বগুড়া-৩ আসনের নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যের গনসংযোগ Logo কাহালুতে জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস পালিত Logo কাহালুর বীরকেদার ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিডি কার্ডের চাল বিতরণ
নোটিশ ::
"বগুড়া বুলেটিন ডটকম" এ আপনাকে স্বাগতম। বগুড়ার প্রত্যেক উপজেলায় ১জন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। ফাঁকা উপজেলাসমূহ- সদর, শাজাহানপুর, ধনুট, শেরপুর, নন্দীগ্রাম

বগুড়ার নন্দীগ্রামে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৪৯ হাজার পশু

বগুড়া বুলেটিন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৩৩:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জুন ২০২৩
  • / 126
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঈদুল আজহার বাকি আর ২০ দিন। ঈদ উপলক্ষে বগুড়ার নন্দীগ্রামে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ৪৯ হাজার ১৭১টি পশু। এ উপজেলায় কোরবানির চাহিদার তুলনায় এক হাজার ৬১টি পশু বেশি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উদ্বৃত্ত এ পশু উপজেলার বাইরে বিক্রি হবে বলে আশা করছেন খামারিরা।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নন্দীগ্রাম উপজেলায় কোরবানির জন্য খামার ও বাড়িতে মোটাতাজা করা হচ্ছে ৪৯ হাজার ১৭১টি পশু। এর মধ্যে গরু ১২ হাজার ১৮১টি, মহিষ ৭৭টি, ছাগল ৩৪ হাজার ৯৫৫টি ও ভেড়া ১৫৫৮টি।

বাড়তি লাভের আশায় খামারিদের পাশাপাশি বাড়িতে পশুপালন করছেন কৃষকরা। উপজেলার চাহিদার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানের চাহিদা পূরণ করবে এখানকার উদ্বৃত্ত পশু।

উপজেলায় দুই হাজার ২৫১টি ছোট-বড় খামারি ও কৃষক বিভিন্ন জাতের গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া পালন করছেন। এসব পশু মোটাতাজাকরণে খামারি ও কৃষকরা যাতে কোনো ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক খাবার ব্যবহার না করেন, সেজন্য প্রচারণা চালানো হয়েছে বলে জানান উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কল্পনা রানী রায়।

খামারি ও কৃষকরা জানিয়েছেন, কেউ বাড়িতে আবার কেউ খামারে এসব পশু মোটাতাজা করছেন। প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা সবুজ ঘাস খাইয়ে বড় করা হচ্ছে এসব পশু। খড়ের পাশাপাশি খৈল, গমের ভুসি, ভুট্টার গুঁড়া, ধানের কুঁড়া, খড় ও বুটের খোসা খাওয়ান অনেকে।

কোরবানিতে বিক্রির জন্য ২২টি ষাঁড় প্রস্তুত করেছেন পৌরসভার নামুইট গ্রামের খামারি রহমত আলী। তার খামারে এক লাখ ৩০ হাজার থেকে তিন লাখ টাকা দামের পশু আছে।

রহমত আলী বলেন, ‘গো-খাদ্যের দাম অনেক বেড়েছে। এসব পশুপালনে খরচ হয়েছে অনেক বেশি। তাই সঠিক দাম পাবো কি না তা নিয়ে চিন্তায় আছি।’

রহমান নগর মহল্লার খামারি মজিবর রহমান বলেন, ‘গরুকে প্রাকৃতিক উপায়ে মোটাতাজা ও সুস্থ রাখতে খড়, ভাতের মাড়, তাজা ঘাস, খৈল, গম, ছোলা, ভুসিসহ বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো হচ্ছে। এ নিয়মে গরু মোটাতাজা করা হলে গরুর মাংস খেয়ে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি থাকবে না। আবার প্রাকৃতিক উপায়ে মোটাতাজা করা গরুর চাহিদা থাকে বেশি। দামও পাওয়া যায় ভালো।’

নন্দীগ্রাম উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কল্পনা রানী রায় বলেন, কোনো ধরনের হরমোন ব্যবহার না করে নিরাপদ ও প্রাকৃতিক উপায়ে পশু মোটাতাজা করার জন্য খামারিদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বগুড়ার নন্দীগ্রামে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৪৯ হাজার পশু

আপডেট সময় : ১০:৩৩:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জুন ২০২৩

ঈদুল আজহার বাকি আর ২০ দিন। ঈদ উপলক্ষে বগুড়ার নন্দীগ্রামে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ৪৯ হাজার ১৭১টি পশু। এ উপজেলায় কোরবানির চাহিদার তুলনায় এক হাজার ৬১টি পশু বেশি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উদ্বৃত্ত এ পশু উপজেলার বাইরে বিক্রি হবে বলে আশা করছেন খামারিরা।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নন্দীগ্রাম উপজেলায় কোরবানির জন্য খামার ও বাড়িতে মোটাতাজা করা হচ্ছে ৪৯ হাজার ১৭১টি পশু। এর মধ্যে গরু ১২ হাজার ১৮১টি, মহিষ ৭৭টি, ছাগল ৩৪ হাজার ৯৫৫টি ও ভেড়া ১৫৫৮টি।

বাড়তি লাভের আশায় খামারিদের পাশাপাশি বাড়িতে পশুপালন করছেন কৃষকরা। উপজেলার চাহিদার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানের চাহিদা পূরণ করবে এখানকার উদ্বৃত্ত পশু।

উপজেলায় দুই হাজার ২৫১টি ছোট-বড় খামারি ও কৃষক বিভিন্ন জাতের গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া পালন করছেন। এসব পশু মোটাতাজাকরণে খামারি ও কৃষকরা যাতে কোনো ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক খাবার ব্যবহার না করেন, সেজন্য প্রচারণা চালানো হয়েছে বলে জানান উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কল্পনা রানী রায়।

খামারি ও কৃষকরা জানিয়েছেন, কেউ বাড়িতে আবার কেউ খামারে এসব পশু মোটাতাজা করছেন। প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা সবুজ ঘাস খাইয়ে বড় করা হচ্ছে এসব পশু। খড়ের পাশাপাশি খৈল, গমের ভুসি, ভুট্টার গুঁড়া, ধানের কুঁড়া, খড় ও বুটের খোসা খাওয়ান অনেকে।

কোরবানিতে বিক্রির জন্য ২২টি ষাঁড় প্রস্তুত করেছেন পৌরসভার নামুইট গ্রামের খামারি রহমত আলী। তার খামারে এক লাখ ৩০ হাজার থেকে তিন লাখ টাকা দামের পশু আছে।

রহমত আলী বলেন, ‘গো-খাদ্যের দাম অনেক বেড়েছে। এসব পশুপালনে খরচ হয়েছে অনেক বেশি। তাই সঠিক দাম পাবো কি না তা নিয়ে চিন্তায় আছি।’

রহমান নগর মহল্লার খামারি মজিবর রহমান বলেন, ‘গরুকে প্রাকৃতিক উপায়ে মোটাতাজা ও সুস্থ রাখতে খড়, ভাতের মাড়, তাজা ঘাস, খৈল, গম, ছোলা, ভুসিসহ বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো হচ্ছে। এ নিয়মে গরু মোটাতাজা করা হলে গরুর মাংস খেয়ে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি থাকবে না। আবার প্রাকৃতিক উপায়ে মোটাতাজা করা গরুর চাহিদা থাকে বেশি। দামও পাওয়া যায় ভালো।’

নন্দীগ্রাম উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কল্পনা রানী রায় বলেন, কোনো ধরনের হরমোন ব্যবহার না করে নিরাপদ ও প্রাকৃতিক উপায়ে পশু মোটাতাজা করার জন্য খামারিদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।