বগুড়া ০৩:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo আন্তর্জাতিক মাতৃ ভাষা দিবসে জিআরপি থানার উপহার Logo বগুড়ার সদরের নুনগোলা উচ্চ বিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন Logo কাহালুর বীরকেদার ইউনিয়নে বিএনপির গণ-সংযোগ ও লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠিত Logo কাহালুর শেখাহার দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ Logo আদমদিঘীতে সড়ক দুর্ঘটনায় এক শিশু নিহত Logo বগুড়ায় মাসিক কল্যাণ সভায় শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত শেরপুর থানা Logo র‍্যাবের যৌথ অভিযানে আটক ৬ Logo বগুড়ায় ছুরিকাঘাতে এক যুবক নিহত Logo কাহালু প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন সম্পর্কে সিনিয়র সহ আট সাংবাদিকের বিবৃতি প্রদান Logo কাহালুতে বিএনপির গণ-সংযোগ ও লিফলেট বিতরণ
নোটিশ ::
"বগুড়া বুলেটিন ডটকম" এ আপনাকে স্বাগতম। বগুড়ার প্রত্যেক উপজেলায় ১জন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। ফাঁকা উপজেলাসমূহ- সদর, শাজাহানপুর, ধনুট, শেরপুর, নন্দীগ্রাম

গাবতলীতে বিধবা ভাতাভোগী জীবিত মহিলাকে মৃত্যু সনদ ইস্যু করার অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যান বিরুদ্ধে

আরিফুর রহমান, গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:৩৩:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ এপ্রিল ২০২৩
  • / 50
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বগুড়ার গাবতলীতে বিধবা ভাতা ভোগী জীবিত এক বিধবা মহিলাকে মৃত দেখিয়ে মৃত্যু সনদ ইস্যু করে ভাতার কার্ড পরিবর্তন করার অভিযোগ উঠেছে রামেশ্বরপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব মন্ডলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভাতাভোগী জায়েদা জেলা প্রশাসক, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনওসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

জানা গেছে, গাবতলীর রামেশ্বরপুর ইউনিয়নের কামারচট্র দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত সিরাজ প্রাং এর স্ত্রী জায়েদা বেওয়া দীর্ঘ ৫/৬বছর পূর্বে থেকে বর্তমান সরকার প্রদত্ত বিধবা ভাতা গ্রহণ করে আসছিল। যার এমআইএস নং-০২১০০০২২৯৯৯, জাতীয় পরিচয়পত্র নং-৪১৫৬৮৩৬৬০৫ এবং বিকাশকৃত মোবাইল নম্বর ০১৭২৬৫৫৯০৭২। গত মার্চ মাসে বিধবা ভাতার টাকা মোবাইলে না আসলে স্থানীয় ইউপি সদস্যের সহযোগিতায় উপজেলা সমাজসেবা অফিসে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন জায়েদাকে মৃত বানিয়ে মৃত্যু সনদ ইস্যু করে ভাতা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বর্তমান স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব মন্ডল প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে ওই ভাতাভোগী জায়েদাকে মৃত বানিয়ে মৃত্যু সনদ ইস্যু করে তার স্থলে একই ইউনিয়নের নিশুপাড়া গ্রামের মামুন মোল্লার স্ত্রী মালেকা বেগমকে অর্থের বিনিময়ে ভাতা কার্ড করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনার সু-বিচার চেয়ে জায়েদা বেওয়া বাদী হয়ে বগুড়া জেলা প্রশাসক, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনওসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করেছেন। এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল লতিফ লাটিম বলেন, জায়েদা জীবিত রয়েছে। জীবিত মানুষকে মৃত বানিয়ে মৃত্যু সনদ ইস্যু করে অর্থের বিনিময়ে ভাতা ভোগী পরিবর্তন করা হয়েছে। এটা অত্যান্ত দুঃখজনক ঘটনা। এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা সেবা কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিক তদন্তে মৃত্যু সনদ ইস্যু করা জায়েদাকে জীবিত পাওয়া গেছে। আরও তদন্ত চলমান রয়েছে। এ ব্যাপারে রামেশ্বরপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব মন্ডল বলেন, ১নং ওয়ার্ডে দু’জন জায়েদা রয়েছে। এটা অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারণে হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

গাবতলীতে বিধবা ভাতাভোগী জীবিত মহিলাকে মৃত্যু সনদ ইস্যু করার অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যান বিরুদ্ধে

আপডেট সময় : ০১:৩৩:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ এপ্রিল ২০২৩

বগুড়ার গাবতলীতে বিধবা ভাতা ভোগী জীবিত এক বিধবা মহিলাকে মৃত দেখিয়ে মৃত্যু সনদ ইস্যু করে ভাতার কার্ড পরিবর্তন করার অভিযোগ উঠেছে রামেশ্বরপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব মন্ডলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভাতাভোগী জায়েদা জেলা প্রশাসক, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনওসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

জানা গেছে, গাবতলীর রামেশ্বরপুর ইউনিয়নের কামারচট্র দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত সিরাজ প্রাং এর স্ত্রী জায়েদা বেওয়া দীর্ঘ ৫/৬বছর পূর্বে থেকে বর্তমান সরকার প্রদত্ত বিধবা ভাতা গ্রহণ করে আসছিল। যার এমআইএস নং-০২১০০০২২৯৯৯, জাতীয় পরিচয়পত্র নং-৪১৫৬৮৩৬৬০৫ এবং বিকাশকৃত মোবাইল নম্বর ০১৭২৬৫৫৯০৭২। গত মার্চ মাসে বিধবা ভাতার টাকা মোবাইলে না আসলে স্থানীয় ইউপি সদস্যের সহযোগিতায় উপজেলা সমাজসেবা অফিসে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন জায়েদাকে মৃত বানিয়ে মৃত্যু সনদ ইস্যু করে ভাতা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বর্তমান স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব মন্ডল প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে ওই ভাতাভোগী জায়েদাকে মৃত বানিয়ে মৃত্যু সনদ ইস্যু করে তার স্থলে একই ইউনিয়নের নিশুপাড়া গ্রামের মামুন মোল্লার স্ত্রী মালেকা বেগমকে অর্থের বিনিময়ে ভাতা কার্ড করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনার সু-বিচার চেয়ে জায়েদা বেওয়া বাদী হয়ে বগুড়া জেলা প্রশাসক, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনওসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করেছেন। এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল লতিফ লাটিম বলেন, জায়েদা জীবিত রয়েছে। জীবিত মানুষকে মৃত বানিয়ে মৃত্যু সনদ ইস্যু করে অর্থের বিনিময়ে ভাতা ভোগী পরিবর্তন করা হয়েছে। এটা অত্যান্ত দুঃখজনক ঘটনা। এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা সেবা কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিক তদন্তে মৃত্যু সনদ ইস্যু করা জায়েদাকে জীবিত পাওয়া গেছে। আরও তদন্ত চলমান রয়েছে। এ ব্যাপারে রামেশ্বরপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব মন্ডল বলেন, ১নং ওয়ার্ডে দু’জন জায়েদা রয়েছে। এটা অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারণে হয়েছে।