বগুড়া ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৩, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
নোটিশ ::
"বগুড়া বুলেটিন ডটকম" এ আপনাকে স্বাগতম। বগুড়ার প্রত্যেক উপজেলায় ১জন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। ফাঁকা উপজেলাসমূহ- সদর, শাজাহানপুর, ধনুট, শেরপুর, নন্দীগ্রাম

একি কান্ড, টাকা পেলেই হয় তদন্ত, নইলে নয়

গাবতলীতে সেচ পাম্পের লাইসেন্স প্রদানে অনিয়মের অভিযোগ বিএডিসি প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে

আরিফুর রহমান, গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:১৩:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মার্চ ২০২৩
  • / 47
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দহপাড়া গ্রামের মৃত মফিজ প্রাং এর ছেলে আব্দুল মান্নান লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য আগে আবেদন করলেও তার আবেদনের তদন্ত না করে একই গ্রামের জালাল উদ্দিন মন্ডলের ছেলে কেরামত আলীর আবেদনের তদন্ত করে লাইসেন্স প্রদানের পায়তারা করেছেন। আবেদনকারীরা অভিযোগ করেন যে, যেসব আবেদনকারী সেচ গ্রাহকের নিকট থেকে অর্থ পেয়েছেন শুধুমাত্র সেটাই তদন্ত করছেন। যারা অর্থ দিচ্ছেন না তাদেরটা আর তদন্ত হচ্ছে না। এ ব্যাপারে গাবতলী উপজেলা বিএডিসি উপ-সহকারী প্রকৌশলী (নির্মাণ) আসমাউল বিন হোসেন বলেন, টাকা নিয়ে তদন্ত করার বিষয়টি সঠিক নয়। নিয়মনীতি অনুসরণ করেই তদন্ত করা হচ্ছে। কাগইলের বুজরুক গ্রামের টুকুর বিষয়ে তিনি বলেন, রেজাউল করিম টুকুর সেচ পাম্পের বিদ্যুৎ এর সংযোগ রয়েছে। কিন্তু তার লাইসেন্স নেই। তবে তিনি লাইসেন্স পাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। আর সারিয়াকান্দির নারছি ইউনিয়নের চর গোদাগাড়ী গ্রামের অকো মুন্সির ছেলে আঃ রশিদ আকন্দকে সেচের লাইসেন্স প্রদানে আমি কোন সুপারিশ করিনি। এ বিষয়ে ইউএনও মোঃ আফতাবুজ্জামান আল-ইমরান বলেন, অনিয়মতান্ত্রিকভাবে যদি কোন সেচ পাম্পের লাইসেন্স দেয়া হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে সেজন্য অবশ্যই ভূক্তভোগীকে আমার দপ্তরে আসতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

একি কান্ড, টাকা পেলেই হয় তদন্ত, নইলে নয়

গাবতলীতে সেচ পাম্পের লাইসেন্স প্রদানে অনিয়মের অভিযোগ বিএডিসি প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে

আপডেট সময় : ০৪:১৩:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মার্চ ২০২৩

দহপাড়া গ্রামের মৃত মফিজ প্রাং এর ছেলে আব্দুল মান্নান লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য আগে আবেদন করলেও তার আবেদনের তদন্ত না করে একই গ্রামের জালাল উদ্দিন মন্ডলের ছেলে কেরামত আলীর আবেদনের তদন্ত করে লাইসেন্স প্রদানের পায়তারা করেছেন। আবেদনকারীরা অভিযোগ করেন যে, যেসব আবেদনকারী সেচ গ্রাহকের নিকট থেকে অর্থ পেয়েছেন শুধুমাত্র সেটাই তদন্ত করছেন। যারা অর্থ দিচ্ছেন না তাদেরটা আর তদন্ত হচ্ছে না। এ ব্যাপারে গাবতলী উপজেলা বিএডিসি উপ-সহকারী প্রকৌশলী (নির্মাণ) আসমাউল বিন হোসেন বলেন, টাকা নিয়ে তদন্ত করার বিষয়টি সঠিক নয়। নিয়মনীতি অনুসরণ করেই তদন্ত করা হচ্ছে। কাগইলের বুজরুক গ্রামের টুকুর বিষয়ে তিনি বলেন, রেজাউল করিম টুকুর সেচ পাম্পের বিদ্যুৎ এর সংযোগ রয়েছে। কিন্তু তার লাইসেন্স নেই। তবে তিনি লাইসেন্স পাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। আর সারিয়াকান্দির নারছি ইউনিয়নের চর গোদাগাড়ী গ্রামের অকো মুন্সির ছেলে আঃ রশিদ আকন্দকে সেচের লাইসেন্স প্রদানে আমি কোন সুপারিশ করিনি। এ বিষয়ে ইউএনও মোঃ আফতাবুজ্জামান আল-ইমরান বলেন, অনিয়মতান্ত্রিকভাবে যদি কোন সেচ পাম্পের লাইসেন্স দেয়া হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে সেজন্য অবশ্যই ভূক্তভোগীকে আমার দপ্তরে আসতে হবে।